দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যশোরে স্বর্ণালঙ্কার ব্যবসায়ী আল-আমিন ওরফে পেরেক আল-আমিন হত্যা মামলায় গোলাম রসুল নামে এক ব্যক্তিকে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার পুইশুর ইউনিয়নের পুইশুর এলাকার বাসু সিকদারের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআই জানায়, গত ২০ আগস্ট যশোর শহরের বারান্দীপাড়া লিচুতলার মালোপাড়ার সেগুনবাগান এলাকায় আল-আমিনকে ডেকে নেওয়া হয়। গোলাম রসুল ও টুটুল নামে তার পরিচিত দুজন স্বর্ণের বার আসার কথা বলে তাকে সেখানে যেতে বলেন।
আল-আমিন মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে টুটুল তার চোখে ঝালগুঁড়া ছুড়ে দেন। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে নেমে দাঁড়ালে তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে গোলাম রসুল ইট দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। টুটুলও তাকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন।
আহত অবস্থায় আল-আমিন প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে হামলাকারীরা তাকে ধাওয়া করে আবারও ইট ও চাকু দিয়ে আঘাত করেন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে পিবিআই জানিয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, হামলার পর গোলাম রসুল ও টুটুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে আল-আমিনের মরদেহ পূর্ব বারান্দীপাড়ার এ ওয়ান স্কুলের পেছনের একটি মেহগনি বাগান থেকে উদ্ধার করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার পায় পিবিআই যশোর। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গোলাম রসুলের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআইয়ের দাবি, আল-আমিনের সঙ্গে গোলাম রসুলসহ কয়েকজনের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আল-আমিনের সঙ্গে গ্রেপ্তার গোলাম রসুলসহ অন্যদের বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার গোলাম রসুলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
যে আই